• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০১৯, ৭ চৈত্র ১৪২৫

উত্তর কোরিয়ার ‍‘হাস্যকর’ নির্বাচন !

উত্তর কোরিয়ার ‍‘হাস্যকর’ নির্বাচন !

আন্তর্জাতিক ডেস্ক১৩ মার্চ ২০১৯, ০৯:৫৩এএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।

ভোট মানুষের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। আর এই ভোট শব্দটা শোনা মাত্রই আমরা বুঝতে পারি যে, এটি এমন একটি পদ্ধতি যেখানে অনেক প্রার্থী থাকবেন এবং ভোটাররা ভোট প্রয়োগ করার মাধ্যমে তাদের পছন্দের প্রার্থী বা দলকে নির্বাচিত করবেন। কিন্তু এই ভোট যদি হয় এমন যে, এখানে একটিই দল, প্রার্থীও একজন, তাকেই ভোট দিতে হবে, ভোট না দিলেও শাস্তি । এছাড়া ‘না ভোট’ দেয়ার সুযোগ আছে তবে সেটা করলেও শাস্তি। এমন ক্ষেত্রে আমরা এটাকে কী ভোট বলতে পারি?

আমরা এটাকে ভোট বলে মেনে নিতে পারি আর নাই পারি, উত্তর কোরিয়ার জনগণকে কিন্তু এমনটাই মেনে নিতে হয়। নির্বাচন আসলে এমনই এক হাস্যকর ভোটে অংশ নিতে বাধ্য হতে হয় জনগণকে।

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ আইন পরিষদকে বলা হয় ‘সুপ্রিম পিপল’স অ্যাসেম্বলি’ (এসপিএ)। এর সদস্য সংখ্যা ৬৮৭ জন। প্রতি পাঁচ বছর পর পর এই পরিষদের সদস্যরা নির্বাচিত হন।

এসপিএ সদস্যদের নির্বাচিত করতে উত্তর কোরিয়ার নির্বাচনে প্রধানত একটি রাজনৈতিক জোট অংশগ্রহণ করে। এর নাম হল- ‘ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট ফর দ্য রি-ইউনিফিকেশন অব দ্য ফাদারল্যান্ড’। এই জোটের অধীনে ওয়ার্কার্স পার্টি অব কোরিয়া, কোরিয়ান সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি, চনডুয়িস্ট চঙ্গু পার্টি ও স্বতন্ত্র সদস্যরা নির্বাচনে অংশ নেয়।

তবে মজার বিষয় হল- এখানে প্রত্যেক দল কতটি আসনে লড়বে তা আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে। অর্থাৎ দলগুলো ইচ্ছামতো যেকোনো সংখ্যক আসনে প্রার্থী দিতে পারে না। সেখানে ওয়ার্কার্স পার্টি অব কোরিয়া ৮৭.৫ শতাংশ, কোরিয়ান সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি ৭.৪ শতাংশ, চনডুয়িস্ট চঙ্গু পার্টি ৩.২ শতাংশ এবং স্বতন্ত্র সদস্যরা ১.৯ শতাংশ আসনে নির্বাচন করে। আর কে কোন আসনে নির্বাচন করবে তাও নির্ধারিত থাকে।

আরও মজার ব্যাপার হল এখানে ভোটের সময় গোপনীয় ব্যালট পেপার থাকলেও ভোটারের তথ্যের কোনো গোপনীয়তা থাকে না। আর ব্যালট পেপারে প্রার্থী থাকেন মাত্র একজন। ভোটারকে ওই একজন প্রার্থীকেই ভোট দিতে হবে। তবে চাইলে তিনি না ভোট দিতে পারবেন। এক্ষেত্রে তিনি লাল কালি দিয়ে প্রার্থীর ছবির উপর ক্রস চিহ্ন দিবেন।

বিস্ময়কর হলেও সত্য যে, না ভোটের সুযোগ থাকলেও এজন্য শাস্তির বিধান রয়েছে। অর্থাৎ না ভোট দিলে ভোটারকে শাস্তি ভোগ করতে হবে। আবার ভোটে না আসলেও শাস্তি আছে। যারা ভোটে অনুপস্থিত থাকবে বা ভোটদান থেকে বিরত থাকবে তাদের তালিকা করা হবে এবং শাস্তি হবে। তাই ভোটাররা বাধ্য হয়েই নির্বাচনে অংশ নেয় এবং নির্বাচনে অংশ নেয়া দলটি ১০০ শতাংশ জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতা ভোগ করে।

এই কারণেই নির্দিষ্ট সময়ে কমিউনিস্ট রাষ্ট্র উত্তর কোরিয়ার জনগণকে বাধ্য হয়েই ভোটে যেতে হয়। যাকে প্রকৃতপক্ষে ভোট বলা যায় না। কিন্তু কেন? যেহেতু ভোটের প্রার্থী এবং ফলাফল সবই আগে থেকেই নির্ধারিত, তবে কেন এই হাস্যকর ও নামে মাত্র ভোটের আয়োজন করা হয়?

বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচনের মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার শাসকগোষ্ঠীর প্রতি জনগণের আনুগত্য নিশ্চিত করা। অর্থাৎ এর মাধ্যমে প্রতি পাঁচ বছর পর পর সুপ্রিম পিপল’স অ্যাসেম্বলির নতুন সদস্যদের নির্বাচিত করা হয়, যারা কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে।

বিশ্লেষকরা উত্তর কোরিয়ার এই হাস্যকর নির্বাচনের কঠোর সমালোচনা করেন। কারণ এটা আদৌ কোনো নির্বাচন নয়। এটা কেবল একটা লোক দেখানো একটি নির্বাচন। কারণ এখানে সব প্রার্থীই মাত্র একটি রাজনৈতিক জোট কর্তৃক নির্ধারিত হয়। ভোটারদের কোনো গোপনীয়তা নেই। না ভোট দেয়ার সুযোগ থাকলেও এটা খুব ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ নির্ধারিত প্রার্থীর বিপক্ষে ভোট দিলে এটাকে বিশ্বাসঘাতকতা ও রাজদ্রোহ অপরাধ বলে মনে করা হয়। তাই যারা এটা করে, অতিরিক্ত নজরদারির পাশাপাশি তাদেরকে ঘর-বাড়ি ও চাকরি হারাতে হয়।

মূলত এই হাস্যকর, নির্লজ্জ ও পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া তার স্বৈরতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থাকে জোরপূর্বক বৈধ করে নেয়।

 

টাইমস/এএইচ/জিএস

নারী পথচারীকে ধাক্কা দিয়ে পালানোর সময় আবরারকে চাপা দেয় বাসচালক

নারী পথচারীকে ধাক্কা দিয়ে পালানোর সময় আবরারকে চাপা দেয় বাসচালক

বিইউপি ছাত্র আবরার আহমেদ চৌধুরীকে চাপা দেয়ার আগে সুপ্রভাত পরিবহনের বাসের চালক বাঁশতলায় এক নারী পথচারীকে ধাক্কা দিয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, বাঁশতলায় ওই নারীকে ধাক্কা দিয়ে পালানোর সময় যমুনা ফিউচার পার্কের সামনের সড়কে এসে আবার আবরারকে চাপা দেয় বাসটি।

সাত দিনের আলটিমেটাম দিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত

সাত দিনের আলটিমেটাম দিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত

রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে প্রগতি সরণীতে বাসচাপায় বিইউপির শিক্ষার্থী আবরার আহমেদ চৌধুরী নিহতের ঘটনায় সাত দিনের আলটিমেটাম দিয়ে আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। বুধবার সন্ধ্যা ছয়টার পর রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সামনের সড়কে এসে তারা এই ঘোষণা দেন।

৩৭তম বিসিএস: নিয়োগ পেলেন এক হাজার ২২১ ক্যাডার

৩৭তম বিসিএস: নিয়োগ পেলেন এক হাজার ২২১ ক্যাডার

অবশেষে ৩৭তম বিসিএসে প্রতীক্ষার অবসান হলো। ১ হাজার ২২১ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বুধবার বিকেলে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর মাধ্যমে এই বিসিএসের অপেক্ষার অবসান হলো। এখন এই ক্যাডারদের বিভিন্ন স্থানে পদায়ন শুরু হবে।

জাতীয়

সিরাজগঞ্জে হানিফ পরিবহনের দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত চার

সিরাজগঞ্জে হানিফ পরিবহনের দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত চার

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় হানিফ পরিবহনের দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন। বুধবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম পাড়ে উপজেলার ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের সয়দাবাদ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানার ওসি সৈয়দ সহিদ আলম জানান, বিকেলে হানিফ পরিবহনের একটি বাস ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিল।

জাতীয়

সাত দিনের রিমান্ডে সুপ্রভাত বাসের চালক

সাত দিনের রিমান্ডে সুপ্রভাত বাসের চালক

যমুনা ফিউচার পার্কের সামনের প্রগতি সরণিতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী আবরার আহমেদ চৌধুরী নিহত হওয়ার ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার সুপ্রভাত পরিবহনের বাসের চালক সিরাজুল ইসলামের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

জাতীয়

আবরারের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা প্রদানের নির্দেশ

আবরারের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা প্রদানের নির্দেশ

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থী আবরার আহমেদ চৌধুরীকে সাত দিনের মধ্যে ১০ লাখ টাকা দিতে সুপ্রভাত পরিবহন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ নির্দেশ দেন।

বিনোদন

সাড়ে চার লাখ টাকা হোটেল বিল না দিয়ে পালালেন অভিনেত্রী পূজা

সাড়ে চার লাখ টাকা হোটেল বিল না দিয়ে পালালেন অভিনেত্রী পূজা

ভারতীয় অভিনেত্রী পূজা গান্ধীকে নিয়ে যেন বিতর্কের শেষ নেই। এবার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, বেঙ্গালুরুর বিলাসবহুল হোটেলে বিল না দিয়েই চলে পালিয়ে গেছেন তিনি। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, পূজা বেশ কয়েকদিন বেঙ্গালুরুর হোটেলে ছিলেন। হোটেলে বিল বাড়তেই তিনি সবার চোখ এড়িয়ে হোটেল ছেড়ে চলে যান। হোটেল ম্যানেজমেন্ট এ কথা জানতে পেরে স্থানীয় থানায় এই অভিনেত্রীর নামে অভিযোগ দায়ের করেন।

জাতীয়

পার্বত্য এলাকায় উল্লেখযোগ্য যত হত্যাকাণ্ড

পার্বত্য এলাকায় উল্লেখযোগ্য যত হত্যাকাণ্ড

পাহাড়ে সন্ত্রাসী গ্রুপের অপতৎপরতায় জীবনহানি সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। পার্বত্য শান্তিচুক্তির পর পাহাড়ে শান্তি ফিরে আসবে- এমনটিই আশা করা হয়েছিল। কিন্তু পাহাড়ি সংগঠনগুলোর অন্তঃকোন্দল সেই সম্ভাবনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। পাহাড়ে সংঘাত দানা বেঁধে ওঠে ১৯৭২ সালে। এ সময় পাহাড়িদের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার নামে গড়ে ওঠে মানবেন্দ্র লারমার নেতৃত্বে জনসংহতি সমিতি নামের সংগঠন। ’৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর জিয়াউর রহমান সরকারের কিছু কর্মকাণ্ড পাহাড়ে অশান্তির দাবানল সৃষ্টি করে। ’৯৭ সালে সম্পাদিত শান্তিচুক্তির আওতায় পার্বত্য তিন জেলায় শান্তি ফিরে আসার সম্ভাবনা দেখা দেয়। কিন্তু জনসংহতি সমিতির একাংশ শান্তিচুক্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে ইউপিডিএফ নামের সংগঠন গড়ে তোলায় পাহাড়ে প্রত্যাশিত শান্তি ফিরে আসেনি।

আন্তর্জাতিক

লুফে নিয়ে আগুন থেকে তিন শিশুকে বাঁচাল পুলিশ

লুফে নিয়ে আগুন থেকে তিন শিশুকে বাঁচাল পুলিশ

একটি বহুতল ভবনে আগুন লাগলে তৃতীয় তলার একটি ফ্লাটে আটকা পরে তিন শিশু। ফায়ার সাভির্সের সহায়তা পৌছাঁতে পৌছাঁতে হয়তো মারাই যেত তারা। কোনো উপায় না দেখে পুলিশ কর্মকর্তাদের কথা মতো একে এক নিচে ঝাপ দেয় তারা। আর মাটিতে দাঁড়িয়ে তাদের লুফে নেন সেই পুলিশ কর্মকর্তারা। খবর এনডিটিভির।     মঙ্গলবার এই অসাধারণ ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া অঙ্গরাজ্যের রাজধানী দেস মইনে।